“নেতা হওয়ার আগে সাফল্য মানে নিজেকে গড়ে তোলা। আর নেতা হওয়ার পর সাফল্য মানে অন্যদের বিকাশে সহায়তা করা।”
০১. সাশ্রয়ী আবাসন
প্রতিটি পরিবার যেন নিরাপদ ও সাশ্রয়ী বাসস্থানের নিশ্চয়তা পায়—সে লক্ষ্যেই কাজ করছি। আধুনিক আবাসন নীতি, কম খরচের আবাসন প্রকল্প এবং ভাড়াটে ও ক্রেতাদের জন্য ন্যায্য সুযোগ নিশ্চিত করার পক্ষে আমি অবস্থান নিয়েছি।
০২. জননিরাপত্তা
স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও কমিউনিটি-কেন্দ্রিক নিরাপত্তা কর্মসূচির মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও নাগরিকদের মধ্যে আস্থা গড়ে তোলা। লক্ষ্য—প্রতিটি পাড়া ও সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
০৩. স্বাস্থ্যসেবা
হাসপাতাল ব্যবস্থার উন্নয়ন, চিকিৎসা ব্যয় হ্রাস এবং স্বাস্থ্যসেবার পরিধি বাড়ানোর মাধ্যমে নিশ্চিত করা—যাতে প্রতিটি নাগরিক আর্থিক চাপ ছাড়াই সময়মতো ও মানসম্মত চিকিৎসা পায়।
০৪. কর্মসংস্থান ও শ্রমিক
নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শ্রমিকদের ক্ষমতায়ন এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায় সহায়তার মাধ্যমে এমন অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করা—যার সুফল পৌঁছাবে প্রতিটি পরিবারের কাছে।
০৫. পরিবহন ব্যবস্থা
আধুনিক সড়ক, কার্যকর গণপরিবহন এবং টেকসই অবকাঠামোয় বিনিয়োগ—যা যাতায়াতের সময় কমাবে এবং বিভিন্ন অঞ্চলে অর্থনৈতিক কার্যক্রমকে গতিশীল করবে।
০৬. সবুজ ভবিষ্যৎ
নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারে উৎসাহ, প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ এবং জলবায়ু-সহনশীল নীতি বাস্তবায়নের মাধ্যমে আগামী প্রজন্মের জন্য একটি পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা।
আমার সম্পর্কে
ন্যায়বিচার ও অগ্রগতির প্রতি দৃঢ় বিশ্বাস থেকেই আমার পথচলা। এই যাত্রার মূল লক্ষ্য হলো সমাজকে শক্তিশালী করা এবং সবার জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টি করা। আমার প্রতিটি উদ্যোগ দায়িত্বশীল নেতৃত্ব, স্বচ্ছ শাসনব্যবস্থা এবং দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের প্রতি অঙ্গীকারের প্রতিফলন—যা সত্যিকার অর্থে মানুষের কল্যাণে কাজ করে।
একসাথে কাজ করলে আমরা যেকোনো ব্যক্তি একা যা অর্জন করতে পারে তার চেয়েও অনেক বেশি অর্জন করতে পারি। স্পষ্টতা ও ধারাবাহিকতার ওপর দৃঢ় মনোযোগ রেখে প্রতিটি বার্তা এমনভাবে গঠন করা হয়, যাতে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব সৃষ্টি হয়। নিবেদিত প্রচেষ্টা, কৌশলগত যোগাযোগ এবং সুচিন্তিত পরিকল্পনার মাধ্যমে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও জনসম্পৃক্ততায় অর্থবহ ও কার্যকর ফলাফল নিশ্চিত করা হয়।
মূল লক্ষ্য হলো একটি শক্তিশালী, ন্যায়ভিত্তিক ও উন্নত সমাজ গড়ে তোলা। প্রতিটি উদ্যোগ শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং সামগ্রিক জীবনমান উন্নয়নের মাধ্যমে সকল নাগরিকের কল্যাণ নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে পরিচালিত।
স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা, জনগণের মৌলিক চাহিদা পূরণ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন এবং টেকসই উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া।
মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ, স্থানীয় সমস্যার গভীর অনুধাবন এবং বাস্তবসম্মত ও টেকসই সমাধান বাস্তবায়নের মাধ্যমে কমিউনিটির প্রয়োজন পূরণ করা হয়।
ন্যায়বিচার, সততা, দায়বদ্ধতা, মানবিকতা এবং জনগণের প্রতি আন্তরিক দায়বদ্ধতা—এই মূল্যবোধগুলোই নেতৃত্বের মূল ভিত্তি।
জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। জনগণের মতামত ও অংশগ্রহণই কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনের প্রধান শক্তি।
পরিবর্তনে শক্তি দিন, অগ্রগতির আগুন জ্বালান, ঐক্যের শক্তিতে যোগ দিন।
পরিচিতি
পেশাগত যাত্রা
১৯৯০-এর দশকের শেষভাগে আমার পেশাগত যাত্রা শুরু হয়। সময়ের সাথে সাথে স্টিল ফ্যাব্রিকেশন, নির্মাণকাজ, শিল্পসেবা, পরিবেশভিত্তিক সমাধান ও লজিস্টিকস খাতে আমি গভীরভাবে সম্পৃক্ত ছিলাম। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নেতৃত্বমূলক দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে বাংলাদেশের বৃহৎ শিল্প ও অবকাঠামো উন্নয়ন কার্যক্রমে অবদান রাখার সুযোগ হয়েছে।
১৯৯৯ – ২০১০
ইঞ্জিনিয়ারিং ও অবকাঠামো নেতৃত্ব
এই সময়ে ভবন নির্মাণ, স্টিল ফ্যাব্রিকেশন, পরিকল্পনা, স্থাপন (erection) ও রক্ষণাবেক্ষণসহ বিভিন্ন প্রকৌশল ও কাঠামোগত উন্নয়ন কার্যক্রমে নেতৃত্ব প্রদানে যুক্ত ছিলাম। সড়ক ও সেতু, বিদ্যুৎ সরবরাহ, টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা, বন্দর, বিমানবন্দর এবং শিল্প স্থাপনাসহ নানা অবকাঠামো প্রকল্পে কাজ করার মাধ্যমে জাতীয় পর্যায়ের উন্নয়ন প্রকল্পে বিস্তৃত অভিজ্ঞতা অর্জন করি।
২০০২ – ২০১০
স্টিল ফ্যাব্রিকেশন ও কাঠামোগত সমাধান
স্টিল ফ্যাব্রিকেশনের বহুমুখী কার্যক্রম উন্নয়নে আমি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করি, যেখানে স্টিল ভবনের নকশা, নির্মাণ ও স্থাপনার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। আমার কাজের পরিধিতে ছিল মেটাল রুফিং, ক্ল্যাডিং, গ্যালভানাইজড ডেকিং, পার্লিন সিস্টেম এবং স্ট্রাকচারাল স্টিল ইরেকশনসহ সম্পূর্ণ স্টিল বিল্ডিং সমাধান। এসব উদ্যোগ স্টিল নির্মাণ ক্ষেত্রে শক্ত ও টেকসই মানদণ্ড প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করেছে।
২০০৬ – ২০১০
ম্যানুফ্যাকচারিং ও শিল্প উদ্ভাবন
এই সময়ে আধুনিক কালার-কোটেড স্টিল উৎপাদন কার্যক্রম উন্নয়নে যুক্ত ছিলাম, যেখানে জিঙ্ক–অ্যালুমিনিয়াম অ্যালয় স্টিল কয়েলের জন্য উন্নত উৎপাদন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। এই উদ্যোগ টেকসই, ক্ষয়-প্রতিরোধী এবং নান্দনিক গুণমানসম্পন্ন স্টিল উৎপাদনে সহায়তা করেছে, যা শিল্প ও বাণিজ্যিক ব্যবহারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
২০০১ – বর্তমান
শিল্প পরিবেশগত সেবা
নির্মাণ ও উৎপাদন কার্যক্রমের পাশাপাশি আমি ধারাবাহিকভাবে শিল্প পরিবেশগত সমাধান প্রদানে যুক্ত রয়েছি—বিশেষত শিল্প স্থাপনার জন্য ইফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট সিস্টেম (ETS) স্থাপনে। এই কাজ শিল্পখাতে পরিবেশগত মান রক্ষা, টেকসই উন্নয়ন এবং পরিবেশ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে, যা বাংলাদেশের দ্রুত বর্ধনশীল শিল্প খাতের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।
২০১০ – বর্তমান
বহুমুখী স্টিল প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্ব
২০১০ সাল থেকে একটি বহুমুখী স্টিল ফ্যাব্রিকেশন ও নির্মাণ প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্ব দিয়ে আসছি, যেখানে কাঠামোগত নকশা ও ফ্যাব্রিকেশন থেকে শুরু করে স্থাপন ও ফিনিশিং পর্যন্ত সম্পূর্ণ সমাধান প্রদান করা হয়। ধারাবাহিক গুণগত মান ও প্রযুক্তিগত দক্ষতার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশের স্টিল নির্মাণ শিল্পে একটি শক্তিশালী ও বিশ্বস্ত অবস্থান বজায় রেখেছে।
২০১২ – বর্তমান
পরিবেশ ও পৌর অবকাঠামো
আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে শিল্প ও পৌর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পানি শোধন এবং পরিবেশ সুরক্ষা খাতে আমার পেশাগত কার্যক্রম সম্প্রসারিত করি। এই পর্বটি টেকসই উন্নয়ন এবং দায়িত্বশীল অবকাঠামো প্রবৃদ্ধির প্রতি আমার দৃঢ় অঙ্গীকারকে প্রতিফলিত করে।
২০১৩ – বর্তমান
নির্মাণ ও লজিস্টিকস সম্প্রসারণ
সমন্বিত প্রকল্প বাস্তবায়ন আরও শক্তিশালী করতে আমি রিইনফোর্সড কংক্রিট (RCC) নির্মাণ কার্যক্রমের পাশাপাশি লজিস্টিকস সেবায় কার্যক্রম সম্প্রসারণ করি। এসব উদ্যোগ বৃহৎ স্ট্রাকচারাল স্টিল ও অবকাঠামো প্রকল্পে পরিবহন, হ্যান্ডলিং এবং স্থাপন কার্যক্রমকে সহায়তা করেছে।
শিল্পখাতে নেতৃত্ব
স্টিল শিল্পে প্রতিনিধিত্ব
২০১৩ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত আমি বাংলাদেশ স্টিল বিল্ডিং ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন (SBMA)-এর প্রথম নির্বাচিত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করার সম্মান লাভ করি। এই সময়ে স্টিল নির্মাণ খাতের প্রতিনিধিত্ব করা এবং জাতীয় শিল্পায়নের জন্য দেশের অন্যতম সম্ভাবনাময় শিল্পখাতের উন্নয়নে অবদান রাখার লক্ষ্যে কাজ করেছি।
সমাজে সম্পৃক্ততা
পেশার বাইরে দায়বদ্ধতা
পেশাগত জীবনের বাইরে আমি সামাজিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে যুক্ত। দাতব্য উদ্যোগ ও কমিউনিটি-ভিত্তিক অংশগ্রহণের মাধ্যমে শিক্ষা, সামাজিক কল্যাণ, জনস্বাস্থ্য এবং দারিদ্র্য বিমোচন কর্মসূচিতে সহায়তা করে আসছি—বিশেষত কুষ্টিয়া সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়।
আসন্ন নির্বাচন আমাদের কমিউনিটির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। এই প্রচারণা দায়িত্বশীল নেতৃত্ব, অর্থবহ উন্নয়ন এবং প্রতিটি নাগরিকের জন্য একটি শক্তিশালী ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার অঙ্গীকারের ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হচ্ছে। কাউন্টডাউন এগিয়ে চলার সাথে সাথে আমাদের লক্ষ্য বাস্তব সমস্যার সমাধান, অবকাঠামো উন্নয়ন, সহজলভ্য জনসেবা নিশ্চিত করা, যুবসমাজকে সহায়তা করা এবং এমন সুযোগ সৃষ্টি করা—যা প্রতিটি পরিবারকে এগিয়ে নিতে সহায়ক হবে। ঐক্য, নিষ্ঠা ও আপনাদের সমর্থনই আমাদের শক্তি।
দ্রুত আপডেট, নোটিফিকেশন এবং সব ফিচার একসাথে—এখনই অ্যাপটি ইনস্টল করুন।